কিচ্ছু ভাল্লাগে না রোগ থেকে মুক্তির উপায়

একজন মানুষকে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে বাঁচতে হলে তাকে অবশ্যই মানসিক ভাবেও সুস্থ থাকতে হবে। কারন মানুষের মন দেহের সাথে সম্পর্ক যুক্ত। একটি ভালো না থাকলে অপরটিও ভালো থাকে না। তাই আমাদের শুধু দৈহিক সুস্বাস্থ্যের কথা ভাবলেই হবে না। মানসিক প্রশান্তির কথাও ভাবতে হবে। আসুন জেনে নেই কিভাবে আপনি আপনার মানসিক প্রশান্তি অর্জন করতে পারেন।

১। অন্যদের সাথে যোগাযোগঃ যেসব মানুষ আপনাকে সাপোর্ট করে এবং আপনার জীবন সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে তাদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন এবং বজায় রাখুন। জানেন তো, একজন ভালো বন্ধু আপনার জীবনটাই বদলে দিতে পারে।

২। ভুলে যানঃ মানুষ মাত্রই ভুল করে। মানুষের সাথে চলতে গেলে কারো কারো অনেক কথা কিমবা কাজ আপনার খারাপ লাগতেই পারে। তাই বলে তাদের সাথে সম্পর্ক খারাপ করার কোন মানে হয় না। এটা স্রেফ বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। মনে রাখবেন, পৃথিবীর দুইটা মানুষ কখনোই একই নয়। তাদের চিন্তাধারার কিছুটা মিল থাকলেও, তারা দুজন আলাদা দুটো মানুষ। অন্যের ছোট খাটো ভুলগুলো ভুলে যান।

৩। পজেটিভ ভাবুনঃ এটা এমন একটি গুন যা আপনাকে খুব সহজেই মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে। ধরুন আপনি কারো জন্য অপেক্ষা করছেন, সে আসছে না। আপনি শুধু শুধু কেন তার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করতে গিয়ে নিজের মন মেজাজ খারাপ করবেন? ভাবুন যে সে, ট্রাফিক জ্যামে অথবা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে আটকে গেছে। দেখবেন নিজের ই ভালো লাগবে।

৪। সময়কে উপভোগ করুনঃ বাজে কাজে সময় নষ্ট করার চেয়ে ভালো কোন মুভি, গল্পের বই, অন্যান্য বই, কিমবা পছন্দের মানুষের সাথে সময় কাটান।

৫। বিশ্রাম নিনঃ মন ভালো না থাকলে বিশ্রাম নিন। তবে শুয়ে শুয়ে মোবাইলে ফেসবুক চালানো কিন্তু মোটেই বিশ্রাম নয়। বিশ্রাম মানে সকল প্রকার বাহ্যিক কাজ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। চোখ বন্ধ করে জোরে নিঃশ্বাস নিয়ে তারপর আস্তে আস্তে ছারুন। দেখবেন দুশ্চিন্তাগুলো দূর হয়ে গেছে।

৬। কোথাও ঘুরে আসুনঃ মন ভালো রাখার জন্য এবং বিরক্তিকর অবস্থা থেকে বাঁচতে মাঝে মাঝে দু-চার দিনের জন্য কোথাও গিয়ে ঘুরে আসুন। দেখবেন, নতুন উদ্দামে কাজ শুরু করতে পারবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *