কী করে বুঝবেন কোনো মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা?

ভালোবাসা তুমি কি আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ নাকি জীবনানন্দের বনলতা সেন নাকি ভিঞ্চির মোনালিসা? ভালোবাসা নিয়ে হাজারো প্রশ্নের খপ্পরে পরে আমরা সবাই দিশেহারা। কিন্তু আজ পর্যন্ত ভালবাসার সঠিক সংজ্ঞাটাও কেউ সঠিকভাবে দিতে পারেনি। একেক জনের কাছে ভালোবাসার মানেটা একেক রকম।
অনেকে আবার মজা করে বলেন, ভালোবাসা হলো দিল্লীকা লাড্ডু; খেলেও পস্তাবেন না খেলেও পস্তাবেন। সংজ্ঞাটা যাই হোক না কেন ভালোবাসার কথাটা মুখ ফুটে না বললেও কিন্তু কিছু সাইন দেখে সহজেই বোঝা যায় কে কোন ঘাটে ডুবে ডুবে জল খাচ্ছেন। মেয়েরা অবশ্য আগেই বুঝতে পারার ব্যাপারে ওস্তাদ। তবে আজ বলবো কী করে বুঝবেন কোনো মেয়ে আপনার প্রতি দুর্বল।
১। কোনো মেয়ে আপনার প্রতি দুর্বল থাকলে আপনার সাথে কোনো মেয়েকে সে সহ্য করতে পারবে না। হয়তো সরাসরি সে ব্যাপারে কিছু বলবে না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে জ্বলবে এবং আকারে ইঙ্গিতে আপনাকে বুঝাবে যে ওই মেয়েটা আপনার সাথে কেন?
২। কারণে অকারণেই আপনার সাথে দেখা করতে চাইবে। আপনার সাথে সময় কাটাতে চাইবে। নিজের প্রয়োজনীয় কাজ বাদ রেখেও আপনার সাথে সময় কাটাবে।
৩। মাঝে মাঝেই আপনাকে ছোট-খাট উপহার কিনে দিবে। আবার মাঝে মাঝে আপনাকে চা কিংবা কফি খাওয়ার নিমন্ত্রণও করবে।
৪। কথা বলার সময় আপনার কাছাকাছি বসার চেষ্টা করবে এবং আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবে। কিন্তু আপনিও যখন তার চোখের দিকে তাকাবেন তখন সে নিজে থেকেই তার চোখ নামিয়ে নিবে।
৫। আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্য সম্পর্কে খোঁজ খবর নিবে। তারা কে কী করে, কেমন আছে ইত্যাদি। কারণ একটি মেয়ে যখন একটি ছেলেকে ভালবাসে তখন সে শুধু ছেলেকেই নয় বরং তার চারপাশের সবকিছুকেই পছন্দ করতে শুরু করে।
৬। সে আপনার দিকে তাকিয়ে কারণে অকারনে মিটি মিটি হাসবে এবং এই হাসির মাত্রাটি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।
৭। আপনি কেমন মেয়ে চান আপনার জীবনসঙ্গিনী হিসাবে কিংবা আপনার জীবনসঙ্গিনীর মাঝে আপনি কী কী গুন দেখতে চান ইত্যাদি বিষয়ে সে আপনাকে মাঝে মাঝেই জিজ্ঞেস করবে।
৮। আপনার দিকে তাকালে তার চোখের মনি বড় হয়ে যাবে। আমাদের পছন্দের ব্যক্তি বা বস্তুর দিকে তাকালে আমাদের চোখের মনি আপনা থেকেই বড় হয়ে যায়।
৯। আপনার দিকে যখন সে তাকাবে তখন অনেক বেশিবার চোখের পলক ফেলবে। চোখের পালকের লোমগুলো আপনা থেকেই ঝাপ্টাবে। এবং তার হার্ট বিট কিছুটা বেড়ে যাবে যা আপনি একটু খেয়াল করলেই কথা বলার সময় বুঝতে পারবেন।
১০। আপনি কী কী পছন্দ করেন তা সে আগেই শুনে নিবে এবং আপনার পছন্দসই কাজগুলো বেশি বেশি করবে। আর যেসব জিনিস আপনি পছন্দ করেন না সেগুলো সে সব সময় না করার চেষ্টা করবে এবং হঠাৎ করে ভুল করে করে ফেললেও সঙ্গে সঙ্গে আপনার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবে।
১১। আপনার সাথে কথা বলার সময় সে তার বান্ধবীর গলা জড়িয়ে ধরে বান্ধবীর পিছে দাঁড়াবে এবং স্থির না থেকে কিছুটা হেলে-দুলে কথা বলবে। এবং তার মুখে হালকা লালচে আভার তৈরি হবে।
১২। আপনার বিষয়ে সব সময় খোঁজ খবর রাখবে। কখনো কখনো এমনও হতে পারে যে আপনার অজান্তেই আপনাকে ফলো করবে। আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন, কার সাথে ঘুরছেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এছাড়া আপনার ফেসবুকে চুল ছেড়া বিশ্লেষণের মতো করে সব ঘেঁটে ঘুটে দেখবে এবং কোনো পোস্টই সে দেখা বাদ দিবে না।
১৩। তার বন্ধু বান্ধবের কাছে আপনার প্রশংসা করতে থাকবে এবং সুযোগ পেলেই আপনার প্রসঙ্গ তুলবে। এছাড়া আপনার কোনো কাজ বা কথার সাথে অন্য কারো কথা বা কাজের মিল খোঁজার চেষ্টা করবে।
১৪। সবসময় আপনাকে সাপোর্ট দিবে। আপনার যে কোনো কাজে উৎসাহ প্রদান করবে এবং আপনার পাশে থাকতে চাইবে।
১৫। সে আপনার জন্য অনেক কিছু উৎসর্গ (সেক্রিফাইস) করবে। এবং আপনার কাছ থেকেও তাই আশা করবে যা বন্ধুরা সাধারণত করে না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *