কে বেশি প্রতারক; পুরুষ নাকি নারী?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতারণা পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, প্রতি বছর প্রতারনার হার আশ্চর্যজনক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী বিবাহিত জীবন বা সম্পর্ক আস্তে আস্তে বিরল হয়ে যাচ্ছে যা গবেষকদের ভাবিয়ে তুলছে।

ফক্স ম্যাগাজিনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, “আমরা প্রতারনার ব্যাপারে অনলাইনে একটি জরিপ চালাই এবং আমরা বিস্ময়কর কিছু ফলাফল পাই।” কিছু ফলাফল নিম্নরূপঃ

প্রায় ১৭% বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারন হলো বিশ্বাসঘাতকতা। আসলেই সংখ্যাটা অনেক বেশি। তবে ডিভোর্সের আরও অনেক কারন রয়েছে।

প্রায় ৭০% বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে প্রতারণা করে। তবে এখানে “প্রতারণা” শব্দটি ব্যবহার করার চেয়ে “মিথ্যা বলে” বলাই শ্রেয়। আরেকটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় প্রায় দুই তৃতীয়াংশ নারী তাদের স্বামীদের সম্পর্কের ব্যাপারে সচেতন নয়। এটি জানতে তাদের অনেক সময় লেগে যায়, যতক্ষণ না তারা তাদের স্বামীদের মোবাইল ফোন চেক না করে।

আর মেয়েরা? বেশিরভাগ পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে প্রায় ৫০% থেকে ৬০% বিবাহিত নারী আরেকটি সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এটি সত্যিই হতাশ করার মত বিষয়।

এখন প্রশ্ন আসে, কেন এমনটা হয়? কেন প্রতারণা করে?

২০০৫ সালে একটি পরিসংখ্যানে এই প্রশ্নের মজার উত্তর পাওয়া যায়। মিথ্যা বলা দাম্পত্য কলহের মূল কারন নয়। বরং যৌন অসন্তুষ্টিই এর মূল কারন। যারা যৌন সন্তুষ্ট থাকে তারা অপেক্ষাকৃত কম প্রতারণা করে, এবং যারা যৌন অসন্তুষ্ট থাকে তারাই বেশি প্রতারণা করে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *