হাতের লেখা দেখেই বুঝুন মানুষটি কেমন

বর্তমান যুগে মানুষ আধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল হওয়ার সুবাদে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা চক স্লেটের বদলে হাতে পাচ্ছে ট্যাবলেট অথবা আইপ্যাড। বিষয়টি মন্দ নয়। তবে মানুষের হাতের লেখা দেখে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুমান করা যায়, গবেষকরা এমনটাই বলেছেন। বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই এটা মিলে গেছে তাদের গবেষণায়।
আপনি মানুষটা কেমন সেটা খুব সহজেই জানা সম্ভব আপনার হাতের লেখা থেকে। অর্থাৎ আপনি কী পছন্দ করেন, কীভাবে চলতে চান ইত্যাদি জানা যাবে হাতের লেখা থেকে। সাধারণত লেখার আকার, দুই অক্ষরের মাঝখানের দূরত্ব, বাঁকানো অথবা সোজা অক্ষর, ভাঙ্গা ভাঙ্গা অথবা টানা লেখা, ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যগুলো পর্যবেক্ষণ করে বৈশিষ্ট্য বোঝা যায়। যেহেতু মস্তিষ্ক মানুষের হাতকে নিয়ন্ত্রণ করে তাই হাতের লেখায় একজন মানুষের স্বভাব-চরিত্র খুব ভালোভাবেই ফুটে উঠে।
হাতের লেখার যে বিষয়গুলোর উপর ব্যাক্তিত্ব নির্ভর করেঃ
  • আকার- যাদের লেখার আকার ছোট তারা মনোযোগী কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক। তারা সামাজিক মেলামেশা ও কাজকর্মে কম অংশগ্রহণ করে। যারা বড় বড় অক্ষরে লেখে তারা বহির্মুখী ও লোকজনের সাথে মেলামেশা করতে পছন্দ করে। আর যারা ছোট বড় মিলিয়ে লেখে তারা দুই ধরনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যই ধারণ করে।
  • অক্ষর- যাদের লেখা ডানদিকে বেঁকে যায় তারা খোলা মনের অধিকারী। এদের সামাজিক মেলামেশা প্রচুর এবং এরা বন্ধুবৎসল ও আবেগপ্রবণ হয়। যারা বামদিকে বাঁকিয়ে লেখে তারা সাধারণত লোকের মনোযোগ বাঁচিয়ে চুপচাপ থাকতে ও একা কাজ করতে পছন্দ করে।
  • আর আপনি যদি সোজা ও খাড়া অক্ষরে লেখেন তবে আপনি বাস্তববাদী এবং যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। লেখার অক্ষর যদি বড় হয় তবে আপনি প্রবল ব্যাক্তিত্বের অধিকারী। সবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান। আর অক্ষর ছোট হলে আপনি লাজুক, অন্তর্মুখী ও লক্ষ্যর প্রতি অবিচল একজন মানুষ। যারা এই দুইয়ের মিশ্রণে লেখেন তাদের যেকোনো পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
  • ফাঁক- ফাঁক ফাঁক করে লেখা স্বাধীনচেতা মনোভাবের পরিচয় দেয়। এরা হই-হুল্লোড় তেমন একটা পছন্দ করেনা। আর যারা ঠাসা-ঠাসি করে লেখে তারা খুব সহজেই বিরক্ত হয় এবং অযথাই দুশ্চিন্তা করে।
এবার মিলিয়ে দেখুন তো আপনি উপরের কোন বৈশিষ্টের অধিকারী?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *